Section A
Q1. নিয়লিখিত যে কোনো একটি বিষয়ে 600 শব্দের একটি প্রবন্ধ লিখুন: 100 সংস্কৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
(a) 'স্মার্ট নগর' এবং 'আনস্মার্ট নাগরিক'
(b) বিচার সংক্রান্ত সক্রিয়তাবাদ বনাম বিচার সংক্রান্ত সীমা-অতিক্রম (Judicial overreach) c) স্কলের ছাত্রদের মধ্যে আপন ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবার প্রেরণা জাগানো
(d) নিয়লিখিত গদ্যাংশটি মনোযোগ সহকারে পড়ে প্রদত্ত প্রশ্নগুলির স্পষ্ট, শুদ্ধ ও সংক্ষিপ্ত উত্তর দিন: 12×5 = 60 2. এটা বলা হয় যে মহিলারা অর্ধেক আকাশ ধরে থাকেন। আমরা জোরের সঙ্গে বলতে পারি যে তাঁদের দখলে অর্ধেকের বেশি আকাশই রয়েছে। তবু প্রায় প্রত্যেকটি দেশের ইতিহাসে, সংস্কৃতিতে ও ঐতিহ্যে, প্রত্যেকটি অঞ্চলের ধর্মে, জাতিতে, শ্রেণীতে মহিলাদের কিন্তু পুরুষের তুলনায় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বেশি অসুবিধা ভোগ করতে হয়েছে। এবং গ্রথাগতভাবে মহিলারা খাদ্য, কাজ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং জীবনে বিকশিত হবার জন্য যা যা করতে হয়—অর্থাৎ চিন্তা-ভাবনা করা, স্বপ্ন দেখা এবং সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া- সেখানে এক বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার শিকার হয়েছেন। সহস্রাব্দের পর সহস্রাব্দ ধরে মহিলারা সমাজে পৃথিবীর বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ই রয়ে গেছেন। পুরুষতন্ত্র মহিলাদের দেখে সক্ষম নয়, অক্ষম ব্যক্তি হিসাবে, পুরুষতন্ত্র নিজেদের অধিকারকেই অগ্রাধিকার দেয়। তাদের চোখে মহিলারা আত্মসম্মানপূর্ণ, স্বয়ংসম্পূর্ণ ব্যক্তি নয়, সমান অধিকার, সমান সম্মান তারা সমাজের কাছে দাবি করতে পারে না। তার পরিবর্তে মহিলাদের দেখা হয় পুরুষের জন্য সুবিধা সৃষ্টি করার যন্ত্র হিসাবে, তাদের সন্তান উৎপাদন করবার, সেবা করবার, যৌনতৃপ্তি সংঘটন করবার এবং পারিবারিক সমৃদ্ধি ঘটাবার মাধ্যম হিসাবে। পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে আবদ্ধ হয়েই মহিলারা কন্যা, স্ত্রী এবং মা—সমাজ ও সংস্কৃতি এই চোখেই তাদের দেখে। অন্যথায় মহিলারা সমাজের চোখে অপাঙ্ক্তেয়। পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কবিহীনা ‘একাকী’ মহিলারা এর বাইরে অবস্থান করেন : এঁদের মধ্যে পড়েন তাঁরা, যাঁরা বিয়ের বয়স পেরিয়ে গেছেন তবু এখনো বিবাহিতা নন অথবা যাঁরা বিধবা বা বিবাহবিচ্ছিন্না বা স্বামীর থেকে পৃথক হয়েছেন। পুরুষের অভিভাবকত্বের বাইরে—যে অভিভাবকত্ব নানাভাবে নারীর জীবন সুরক্ষিত করে বলে ভাবা হয়—তার অভাব সমাজের চোখে এক অঘটন। সেই অঘটনকে আরো তীব্র মনে করা হয় যখন নারী স্বেচ্ছায় সেই অভিভাবকত্ব খারিজ করে দেয়। অসুখে ভুগে অথবা কোনো দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যু ঘটলেও সমাজ একে একটি অঘটন হিসাবেই দেখে। পুরুষের সবচেয়ে বেশি পরিমাণ ক্রোধ সেই মহিলার প্রতি সংরক্ষিত থাকে যে মহিলা পুরুষের ছত্রছায়ার বাইরে গিয়ে একা বসবাস করে। সমন্ত বিকাশশীল দেশগুলির ষাট শতাংশ থেকে আশি শতাংশ খাদ্যবস্তুর উৎপাদন মহিলারাই করে এবং সমস্ত পৃথিবীর উৎপাদিত খাদ্যের অর্ধাংশ উৎপাদন করে থাকে মহিলারাই। সাংস্কৃতিক দিক দিয়ে মেয়েরাই বেশির ভাগ পরিবারে খাদ্যের যোগান দেয়। অথচ, ভারতবর্ষে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রথা এমনই যে মেয়েরা খায় সবচেয়ে কম, সকলের খাওয়া হয়ে যাওয়ার পরে। আর যদি সংসারে খাদ্যবস্তুর অভাব থাকে তাহলে ক্ষেত্রবিশেষে তাদের উপবাসীই থাকতে হয়। পরিবারের ভেতরের এই বৈষম্যমূলক প্রথাই মেয়েদের উপযুক্ত পরিমাণ পুষ্টিকর খাদ্য থেকে বঞ্চিত রাখে। এমনকি স্বচ্ছল পরিবারগুলিতে যেখানে খাবারের যথাযথ বন্টন হলে মেয়েরাও ঠিকঠাক খেতে পেত সেখানেও নয়। ‘একাকী’ মহিলারা নানা বৈষম্যমূলক সামাজিক নিয়মের কারণে জীবিকা ও খাদ্য অর্জনে নানা অসুবিধা ভোগ করেন, যদিও 'একা' হয়েও তাঁরা জীবনে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন। ভারতবর্ধ সেই স্বল্প সংখ্যক দেশগুলির একটি যেখানে নারী ও বালিকার সংখ্যা পুরুষ ও বালকের সংখ্যা থেকে কম। গত শতাব্দী থেকে মেয়েদের সংখ্যা একনাগাড়ে কমে যাচ্ছে। ২০০১-এর জনগণনা অনুযায়ী প্রতি ১০০০ পুরুষের অনুপাতে নারীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৯৩৩। যদি নারী এবং বালিকা পুরুষ এবং বালকের সমান সুবিধা ভোগ করার সুযোগ পায়, যার মধ্যে স্বাস্থ্য পরিষেবা ও পুষ্টিও পড়বে, তাহলে নারী এবং পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান হয়ে ওঠার দৃঢ় সম্ভাবনা H-ESC-CH-ENG/13 2 The Committee of the State of the State of the State of the State of the State of the State of the State of the