Section A
Q1. নিয়লিখিত যে কোনো একটি বিষয়ে 600 শব্দের প্রবন্ধ রচনা করুন: 100
(a) সজনীশক্তির উন্নতিসাধনে শিক্ষার আবশ্যকতা ভারতে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে প্রত্যাহ্বান
(b) কিশোর-কিশোরীর মনে চলচ্চিত্রের প্রভাব |c|
(d) ভিন্ন-ক্ষমদের সশক্তিকরণ 2. নিয়লিখিত গদ্যাংশটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং যে-সকল প্রশ্ন পরে করা হয়েছে তার উত্তর সংক্ষেপে, স্পষ্ট ও শুদ্ধ ভাষায় লিখন : 12× 5 = 60 বেশ কয়েক হাজার বছর আগে পৃথিবীতে মানুষ শুধু শিকারই করত। নব্যপ্রস্তর যুগের আগে কৃষিকাজের জন্য বসবাস শুরু করেনি মানুষ। এদিক ওদিক না ঘুরে মাটির পরিচর্যা করে মানুষ অনেক বেশি খাদ্যের জোগান বাড়িয়েছিল এবং মানুষ কৃষির ব্যবহার বাড়িয়ে চলেছিল। আগের চেয়ে এখন মাটি থেকে মানুষ অনেক বেশি এবং অনেক ভালো কিছু উৎপাদন করছে। তবে সমুদ্রের ক্ষেত্রে মানুষ এখনও অবধি পুরোপুরিভাবে শিকারিঁই রয়ে গেছে। সে মাছ এবং জলজ প্রাণী ধরে ঠিকই কিন্তু তার উৎপাদন ও জোগানের জন্য কোনো ব্যবস্থাই করতে পারেনি। আজ অবধি মানুষের জলের তলার শিকার যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি দিয়েছে। প্রোটিনের জোগান সে পেয়েছে জমিতে কৃষিকাজ করে। কিন্তু পৃথিবীতে জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যতে মানুষের এত প্রোটিনের প্রয়োজন হবে যে সমুদ্র থেকে যা পাওয়া যাবে তা অনেক হলেও অফুরন্ত না হবার কারণে বিপদ থেকেই যাবে, যদি না মানুষ অন্য কোনো উপায়ে সমুদ্রে চাষ (মৎস্যচাষ) না করে। ছোটো পরিসরে মৎস্যচাষ বর্তমানে সফলতা নিয়ে এসেছে পুকুর ও বিলগুলোতে। বিশেষত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য জলবন্ধ (ড্যাম) তৈরি করে কৃত্রিম হ্রদ তৈরি করা হয়েছে এবং তার্তেই মৎস্যচাষ হচ্ছে। সবসময়ই পুকুরগুলোর মিষ্টি জলে উৎপাদিত মৎস্য প্রোটিনের জোগান বৃদ্ধিতে কাজ করছে। পাশাপাশি কৃষি আধিকারিকদের সহায়তা ও তত্ত্বাবধানে গ্রামীণ সমাজের উন্নতি হচ্ছে। মৎস্য-পুকুরগুলোতে ছোটো ছোটো মাছ দিয়ে ভরিয়ে দেওয়া, তাদের বৃদ্ধিতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করা, যথেষ্ট খাবার দেওয়া খুবই সহজ। জলে খাদ্যসামগ্রী হিসাবে থাকে বিভিন্ন জীবাণু; যেগুলো আকারে ছোটো আগাছা এবং প্রাণী, যেগুলো বেশি সংখ্যায় জলে ভেসে থাকে। ছোটো ছোটো মাছ তাদের খেয়ে থাকে, এবং পরে সেগুলো বড়ো বড়ো মাছের খাবারে রূপান্তরিত হয়। নিঃসন্দেহে ওইসব জীবাণু বেড়ে ওঠে জলের অজৈব প্রাকৃতিক পদার্থ খেয়ে। জলে সার প্রয়োগের ফলে ওইসব জীবাণুর বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। যদিও সামুদ্রিক মৎস্যচাষের আগে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করতে হবে ব্যবহারিক ও লাভের দিকে তাকিয়ে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, সমুদ্রের কোথাও সার প্রয়োগের জায়গা নেই, কারণ সমুদ্রের ঢেউ সারকে মাইলের পর মাইল দূরে সরিয়ে নিয়ে যায়, যেখানে মাছচাষই হবে না। যদি চাষী সারের প্রয়োগকে নির্দিষ্ট জায়গায় ধরে রাখতে পারে, তবে তাকে নিজের মাছকে খাইয়ে বড়ো করার ব্যবস্থা করতে পারবে। পাশাপাশি সমুদ্রের সেইসব অখাদ্য প্রাণীকে সরিয়ে ফেলতে হবে যারা মাছের খাবারে ভাগ বসায়। নিঃসন্দেহে এই সমস্যা সহজভাবে সমাধানের নয়। বিশেষত যখন আমরা সমুদ্রের বিশালতা মনে করি, যেটা কি না পৃথিবীর প্রায় চার ভাগের তিন ভাগ দখল করে আছে। পুকুর এবং বিলের জলধারা থেকে সমুদ্রের জলধারা অনেকটা আলাদা। এখান থেকেই প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। খুব সম্ভবত এই সমস্যার সমাধান হবে খুব সহজেই। ভবিষ্যতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে মানুষ ক্ষুদ্র পরিসরে মৎস্যচাষ করতে পারবে পৃথিবীর অগভীর উপতটের জলে। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ এক জায়গায় জড়ো করতে পারবে। মাছের খাদ্য যে-সব প্রাণী খেয়ে ফেলে তাদেরকে সরিয়ে ফেলতে পারবে। প্রয়োজন মতো সেই ক্ষেত্রে সার দিয়ে মাছের বৃদ্ধিতে অর্থাৎ মাছগুলোকে পরিপূর্ণতার দিকে নিয়ে যেতে পারবে। SDF-C-BNGL/33 \overline2