Section A
Q1. নিয়লিখিত যে কোনো একটি বিষয়ে 600 শব্দের প্রবন্ধ রচনা করুন: 100 নবীকৃত শক্তি : সম্ভাবনা এবং কাঠিন্য
(a) যোগাযোগজনিত বিপ্লবের গুরুত্ব
(b) খেলাধুলোয় বাণিজ্যিকরণের বৃদ্ধি
(c) স্বাস্থ্যে খাদ্যাভ্যাসের প্রভাব
(d) 2. নিম্নলিখিত গদ্যাংশটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং যে-সকল প্রশ্ন পরে করা হয়েছে তার উত্তর সংক্ষেপে, স্পষ্ট ও শুদ্ধ ভাষায় লিখুন : 12× 5 = 60 ঔপনিবেশিক শাসন প্রভূত পরিমাণে উপাত্ত ও তথ্য সংগ্রহের উপর নির্ভরশীল ছিল। ব্রিটিশরা তাদের অনুপুঙ্খ-নথি নিজেদের ব্যবসায়িক ক্রিয়াকর্মের জন্য রাখত যাতে তাদের বাণিজ্যিক বিষয়গুলি নিয়মানুগ থাকে। ক্রমবর্ধমান শহরগুলিতে জীবনের গতি এবং দিশার উপর নজর রাখার জন্য ব্রিটিশরা নিয়মিত সমীক্ষা চালাত, পরিসংখ্যানগত উপাত্ত জোগাড় করত এবং বিভিন্ন ধরনের সরকারি রিপোর্ট প্রকাশ করত। সূচনার বছর থেকেই ঔপনিবেশিক সরকার মানচিত্র নির্মাণে বিশেষ আগ্রহী ছিল। সরকার বিশ্বাস করত ভালো মানচিত্র প্রয়োজনীয় ছিল ভূদৃশ্য এবং ভূসংস্থান বোঝার জন্য। এই অবগতি তাদের সাহায্য করত এলাকার উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে। যখন শহর বাড়তে লাগল তখন নকশা তৈরি করা হত শুধু শহরের বিকাশের জনাই নয়, বরং বাণিজ্যের উন্নতি ও নিজেদের ক্ষমতাকে মজবুত করার জন্য। শহরের নকশাগুলি আমাদের অবহিত করত পাহাড়, নদী এবং গাছপালার অবস্থান সম্পর্কে। সুরক্ষা-সম্বন্ধীয় পরিকল্পনা-বিন্যাসে এ সবই খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এ ছাড়াও নকশার সাহায্যে ঘাটের অবস্থান, বাড়িগুলির ঘনত্ব ও গুণমান এবং রাস্তার অবস্থা নির্ণয় করা হত এলাকার ব্যবসায়িক সম্ভাবনা এবং কর-ব্যবস্থার নীতি পরিকল্পনার জন্য। শহরগুলি পরিচালনের উদ্দেশ্যে উনিশ শতকের শেষ দিক থেকে ব্রিটিশরা বার্ষিক পুর করের পদ্ধতিগত আদায়ের মাধ্যমে টাকা তোলার চেষ্টা করেছিল। দ্বন্দ্ব এড়াতে কিছু দায়িত্ব তারা নির্বাচিত ভারতীয় প্রতিনিধিদেরও দিয়েছিল। পুরসভার মতো প্রতিষ্ঠানে জনগণের আংশিক প্রতিনিধিত্ব আনা হয়েছিল জরুরি পরিষেবা দেওয়ার জন্য- যেমন জলের জোগান, নিকাশি ব্যবস্থা, সড়ক নির্মাণ এবং জনস্বাস্থ্য। অপরদিকে পুরসভার কাজকর্ম নিয়ে একটি সম্পূর্ণ নতুন রেকর্ড তৈরি হয যা পুরসভার রেকর্ড রুমে সুরক্ষিত রাখা হয়। শহরের ক্রমবর্ধমানতা নজরদারিতে থাকত নিয়মিত গণনার মাধ্যমে। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন জায়গায়, স্থানীয় স্তরে জনগণনা শুরু হয়েছিল। ১৮৭২ সালে প্রথম সর্বভারতীয় জনগণনার প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল। এরপর ১৮৮১ সাল থেকে দশ বাৰ্ষিক (দশ বছর অন্তর) জনগণনা একটি নিয়মিত ব্যবস্থা হয়ে ওঠে। এইসব প্রাপ্ত উপাত্তগুলির (Data) সংগ্রহ ভারতের নগরায়ন ব্যবস্থা সম্পর্কে পড়াশোনার কাজে একটি বহুমূল্য উৎসম্বরূপ। যখন আমরা এইসব রেকর্ডের দিকে তাকাই তখন বোঝা যায় ঐতিহাসিক পরিবর্তন বোঝার জন্য আমাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে সমৃদ্ধ উপাত্ত। রোগ এবং মৃত্যু সম্পর্কে সীমাহীন সারণী, যা বয়স, লিঙ্গ, জাতি এবং পেশা অনুসারে বিশাল সংখ্যার হিসেব দিত তার নিশ্চয়তা সম্পর্কে এক ধরনের ভ্রান্তির সৃষ্টি হত। ঐতিহাসিকরা অবশ্য এই সংখ্যাগুলি ভুল হতেই পারে বলে মনে করেছেন। এই সংখ্যাগুলি ব্যবহার করার আগে আমাদের জানা দরকার এই উপাত্তগুলি কারা, কেন, কীভাবে সংগ্রহ করেছিলেন। আমাদের আরো জানা প্রয়োজন কোন্ বিষয়গুলির পরিমাপন হয়েছে, আর কোনগুলির নয়। CRNA-C-BNGL/2 2